বাংলাদেশি করদাতার জন্য চীনে কর-নিবাস
চীন দুটি মানদণ্ডে নিবাস নির্ধারণ করে: চীনে আবাস (হুকৌ, পরিবার বা অর্থনৈতিক স্বার্থের কারণে অভ্যাসগত বসবাস), অথবা পঞ্জিকা বছরে চীনে মোট ১৮৩ দিন। আবাসহীন নিবাসীর জন্য «ছয় বছরের নিয়ম» বিদেশি আয়ে অব্যাহতি দেয়। বাংলাদেশ দিন গোনে ১ জুলাই – ৩০ জুন আয়বর্ষে: ১৮৩ দিন, অথবা ৯০ দিন ও আগের ৪ বছরে ৩৬৫ দিন। দুই দেশই আপনাকে নিবাসী গণ্য করলে ১৯৯৬ সালের বাংলাদেশ–চীন চুক্তির অনুচ্ছেদ ৪(২) সিদ্ধান্ত দেয়।
বিনামূল্যে, নিবন্ধন ছাড়া, প্রায় 3 মিনিট। বাংলাদেশের আয়কর আইন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত, চীনের আইন ও দ্বৈত কর পরিহার চুক্তির সঙ্গে তুলনা করে।
চীন কখন আপনাকে কর-নিবাসী মনে করে
চীন নাগরিকত্বের ভিত্তিতে কর-নিবাস নির্ধারণ করে না: চীনা নাগরিক ও বিদেশি উভয়ের জন্য একই মানদণ্ড — চীনে আবাস (住所) থাকা, অথবা আবাস না থাকলে এক করবছরে (পঞ্জিকা বছর) চীনে মোট অন্তত ১৮৩ দিন বসবাস।
«আবাস» (住所) মানে হুকৌ (পারিবারিক নিবন্ধন), পরিবার বা অর্থনৈতিক স্বার্থের সম্পর্কের কারণে চীনে অভ্যাসগত বসবাস। এটি আইনগত মানদণ্ড: পড়াশোনা, কাজ, আত্মীয়দর্শন বা ভ্রমণের জন্য সাময়িকভাবে বিদেশে থাকলেও কারণ শেষে চীনে ফিরে বসবাস করলে চীনই অভ্যাসগত বাসস্থান।
চীনে আবাস নেই এমন ব্যক্তি এক করবছরে চীনে মোট ১৮৩ দিন (১৮৩তম দিনসহ) বসবাস করলে নিবাসী ব্যক্তি। কেবল সেই দিনগুলো গণ্য, যেদিন পুরো ২৪ ঘণ্টা চীনে ছিলেন।
«ছয় বছরের নিয়ম» নিবাস বদলায় না; এটি কেবল নির্ধারণ করে, আবাসহীন নিবাসী ব্যক্তির চীনের বাইরের উৎসের এবং বিদেশি প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি কর্তৃক পরিশোধিত আয় (যেমন বাংলাদেশি নিয়োগকর্তার বেতন বা বাংলাদেশের সম্পত্তির ভাড়া) চীনে করযোগ্য কি না।
- হুকৌ, পরিবার বা অর্থনৈতিক স্বার্থের কারণে আপনি চীনে অভ্যাসগতভাবে বসবাস করেন — অর্থাৎ চীনে আপনার আবাস (住所) আছে। ব্যক্তিগত আয়কর আইনের অনুচ্ছেদ ১ অনুযায়ী আপনি চীনের নিবাসী ব্যক্তি এবং চীনের ভেতর ও বাইরে থেকে প্রাপ্ত সব আয়ে ব্যক্তিগত আয়কর দেন, বছরে চীনে যত দিনই থাকুন; বিদেশে (যেমন বাংলাদেশে) পরিশোধিত কর অনুচ্ছেদ ৭ অনুযায়ী সীমার মধ্যে রেয়াত পায়।
- চীনে আপনার আবাস নেই, কিন্তু এই করবছরে চীনে মোট অন্তত ১৮৩ দিন বসবাস করেছেন — আপনি চীনের নিবাসী ব্যক্তি (ব্যক্তিগত আয়কর আইন, অনুচ্ছেদ ১)। আগের টানা ছয় বছরের প্রতিটিতে ১৮৩ দিন পূর্ণ হয়েছে এবং কোনো বছরে একবারে ৩০ দিনের বেশি চীনের বাইরে ছিলেন না, তাই চীনের ভেতর ও বাইরের সব আয় চীনে করযোগ্য।
- চীনে আপনার আবাস নেই, কিন্তু এই করবছরে চীনে মোট অন্তত ১৮৩ দিন বসবাস করেছেন — আপনি চীনের নিবাসী ব্যক্তি (ব্যক্তিগত আয়কর আইন, অনুচ্ছেদ ১)। আগের ছয় বছরের অন্তত একটিতে ১৮৩ দিন পূর্ণ হয়নি বা একবারে ৩০ দিনের বেশি চীনের বাইরে ছিলেন, তাই স্থানীয় কর কর্তৃপক্ষের কাছে নথিভুক্তি করলে চীনের বাইরের উৎসের এবং বিদেশি প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি কর্তৃক পরিশোধিত আয় করমুক্ত (বাস্তবায়ন বিধিমালা, অনুচ্ছেদ ৪); চীনের ভেতরের আয় এবং চীনা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক পরিশোধিত বিদেশি আয় করযোগ্য থাকে।
- চীনে আপনার আবাস নেই, কিন্তু এই করবছরে চীনে মোট অন্তত ১৮৩ দিন বসবাস করেছেন — আপনি চীনের নিবাসী ব্যক্তি (ব্যক্তিগত আয়কর আইন, অনুচ্ছেদ ১)। বিদেশি আয়ও চীনে করযোগ্য কি না তা «ছয় বছরের নিয়মের» ওপর নির্ভর করে: আগের টানা ছয় বছর (২০১৯ থেকে গণনা) প্রতি বছর ১৮৩ দিন পূর্ণ এবং কোনো বছরে একবারে ৩০ দিনের বেশি অনুপস্থিতি না থাকলে সব আয় করযোগ্য; অন্যথায় নথিভুক্তি করলে বিদেশি উৎসের এবং বিদেশি প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি কর্তৃক পরিশোধিত আয় করমুক্ত।
- এই করবছরে আপনি চীনে মোট অন্তত ১৮৩ দিন বসবাস করেছেন, তাই চীনে আবাস থাকুক বা না থাকুক আপনি চীনের নিবাসী ব্যক্তি (ব্যক্তিগত আয়কর আইন, অনুচ্ছেদ ১)। আবাস থাকলে চীনের ভেতর ও বাইরের সব আয় করযোগ্য; না থাকলে বিদেশি উৎসের এবং বিদেশি প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি কর্তৃক পরিশোধিত আয়ে «ছয় বছরের নিয়মে» অব্যাহতি মিলতে পারে (বাস্তবায়ন বিধিমালা, অনুচ্ছেদ ৪)।
কখন আপনি অনিবাসী
- চীনে আপনার আবাস নেই এবং এই করবছরে চীনে মোট ১৮৩ দিনের কম বসবাস করেছেন — আপনি চীনের অনিবাসী ব্যক্তি (ব্যক্তিগত আয়কর আইন, অনুচ্ছেদ ১): চীন কেবল চীনের ভেতরের উৎসের আয়ে কর আরোপ করে। চীনের বাইরে সেবা দিয়ে পাওয়া বেতন চীনের আয় নয়; মোট বসবাস ৯০ দিনের বেশি না হলে চীনে কাজের বেতনের যে অংশ বিদেশি নিয়োগকর্তা দেন এবং যা চীনে তাঁর প্রতিষ্ঠান বহন করে না, তা করমুক্ত (বাস্তবায়ন বিধিমালা, অনুচ্ছেদ ৫)।
চীনের আইন যেখানে বাংলাদেশের নিয়মের সঙ্গে সাংঘর্ষিক
- সংঘাত: বাংলাদেশ ও চীন দুই দেশই আপনাকে নিবাসী গণ্য করে. বাংলাদেশ আপনাকে নিবাসী গণ্য করে আয়বর্ষে ১৮৩ দিন থাকলে, অথবা ৯০ দিন থাকলেও যদি আগের ৪ বছরে বাংলাদেশে মোট ৩৬৫ দিন থাকেন; চীন — চীনে আবাস থাকলে বা পঞ্জিকা বছরে ১৮৩ দিন থাকলে। দুই বছরের সময়কাল ভিন্ন বলে একই ব্যক্তি দুই দেশেরই নিবাসী হতে পারেন। তখন বাংলাদেশ–চীন চুক্তির অনুচ্ছেদ ৪(২) সিদ্ধান্ত দেয়: স্থায়ী বাসস্থান; দুই দেশে থাকলে জীবনের মূল স্বার্থের কেন্দ্র; তা নির্ধারণ করা না গেলে বা কোনো দেশেই স্থায়ী বাসস্থান না থাকলে অভ্যাসগত বাস; তারপর নাগরিকত্ব; তারপর পরামর্শের মাধ্যমে নিষ্পত্তি। চীনের দাবি প্রমাণে «চীনের কর-নিবাস সনদ» অনলাইনে বা কর অফিসে চাওয়া যায় (২০২৫ সালের ৪ নং ঘোষণা); বাংলাদেশি সনদের জন্য আপনার উপকর কমিশনার বা এনবিআর-এর সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
- সংঘাত: চীনে আবাস থাকলে দিন যত কমই হোক চীন আপনাকে নিবাসী গণ্য করে. চীনের আইনে হুকৌ, পরিবার বা অর্থনৈতিক স্বার্থের কারণে চীনে অভ্যাসগত বসবাসই যথেষ্ট — বাংলাদেশে কাজ করা চীনা নাগরিক যিনি কাজ শেষে চীনে ফিরবেন, বছরে এক দিনও চীনে না থাকলেও চীনের নিবাসী থাকতে পারেন। বাংলাদেশ কেবল দিন গোনে, তাই বাংলাদেশে ১৮৩ দিন (বা ৯০ দিন ও আগের ৪ বছরে ৩৬৫ দিন) থাকলে আপনি দুই দেশেরই নিবাসী। চুক্তির প্রথম মানদণ্ড স্থায়ী বাসস্থান: পরিবার চীনে এবং বাংলাদেশে কেবল কর্মস্থলের বাসা হলেও যদি দুই দেশেই সব সময় ব্যবহারযোগ্য বাসস্থান থাকে, তবে জীবনের মূল স্বার্থের কেন্দ্র (পরিবার, সম্পদ, প্রধান আয়) সিদ্ধান্ত দেয়।
আরও যা জানা দরকার
- ভিন্ন করবছর: ১ জুলাই – ৩০ জুন এবং পঞ্জিকা বছর. বাংলাদেশ দিন গোনে তার আয়বর্ষে (১ জুলাই – ৩০ জুন), চীন পঞ্জিকা বছরে (১ জানুয়ারি – ৩১ ডিসেম্বর) এবং কেবল সেই দিন, যেদিন পুরো ২৪ ঘণ্টা চীনে ছিলেন। তাই একই অবস্থান দুই দেশে ভিন্ন বছরে ভাগ হয়: যেমন সেপ্টেম্বর থেকে পরের মে পর্যন্ত চীনে থাকলে তা দুটি চীনা করবছরে ভাগ হয়ে কোনোটিতেই ১৮৩ দিন না-ও হতে পারে, অথচ একটি বাংলাদেশি আয়বর্ষে পড়ে। চুক্তির চাকরি সংক্রান্ত ১৮৩ দিনের পরীক্ষা (অনুচ্ছেদ ১৫(২)) «সংশ্লিষ্ট অর্থবছরে» দিন গোনে — কোন রাষ্ট্রের বছর, চুক্তিতে বলা নেই; সংখ্যা সীমার কাছাকাছি হলে দুই দেশের বছরই যাচাই করুন।
- আবাসহীন নিবাসী: বাংলাদেশের আয় ও চীনের «ছয় বছরের নিয়ম». চীনে আবাস ছাড়া কেবল ১৮৩ দিনের ভিত্তিতে নিবাসী হলে প্রথম ছয় বছর (২০১৯ থেকে গণনা) চীনের বাইরের উৎসের এবং বিদেশি প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি কর্তৃক পরিশোধিত আয় — যেমন বাংলাদেশি নিয়োগকর্তার বাংলাদেশে করা কাজের বেতন, ঢাকার ফ্ল্যাটের ভাড়া বা বাংলাদেশি ব্যাংকের সুদ — স্থানীয় কর কর্তৃপক্ষের কাছে নথিভুক্তি করলে চীনে করমুক্ত। কোনো বছরে একবারে ৩০ দিনের বেশি চীনের বাইরে থাকলে টানা বছরের গণনা নতুন করে শুরু হয় — দীর্ঘ মেয়াদে চীনে থাকলে বাংলাদেশে ছুটির সময়সূচি সেভাবে পরিকল্পনা করুন। চীনা প্রতিষ্ঠান যে বিদেশি আয় দেয়, তা করযোগ্য থাকে।
- চীনের নিবাসী না হয়ে চীনে কাজ: ৯০ দিন ও চুক্তির ১৮৩ দিন. চীনে সশরীরে করা কাজের বেতন চীনের আয়, যেখানেই পরিশোধ হোক (বাস্তবায়ন বিধিমালা, অনুচ্ছেদ ৩)। চীনের অভ্যন্তরীণ আইনে বছরে মোট ৯০ দিন পর্যন্ত বিদেশি নিয়োগকর্তার দেওয়া এবং চীনে তাঁর প্রতিষ্ঠান বহন করে না এমন বেতন করমুক্ত (অনুচ্ছেদ ৫)। আপনি বাংলাদেশের নিবাসী হলে চুক্তির অনুচ্ছেদ ১৫(২) এই সীমা ১৮৩ দিন পর্যন্ত বাড়ায় — যদি সংশ্লিষ্ট অর্থবছরে চীনে মোট ১৮৩ দিনের বেশি না থাকেন, নিয়োগকর্তা চীনের নিবাসী না হন এবং বেতন চীনে নিয়োগকর্তার স্থায়ী স্থাপনা বহন না করে। এর বাইরে চীন বেতনের চীনে কাজের অংশে কর কাটে, আর বাংলাদেশ সেই কর অনুচ্ছেদ ২৩(২)(১) অনুযায়ী রেয়াত দেয়।
- বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দ্বৈত কর যেভাবে দূর হয়. আপনি বাংলাদেশের নিবাসী হলে চীনে চুক্তি অনুযায়ী পরিশোধিত আয়কর বাংলাদেশি করের বিপরীতে রেয়াত পায় (অনুচ্ছেদ ২৩(২)(১)); রেয়াত সেই আয়ের ওপর গড় হারে হিসাব করা বাংলাদেশি করের বেশি হয় না এবং সংশ্লিষ্ট বছরের পর দুই বছরের মধ্যে দাবি করতে হয়। বাংলাদেশি নাগরিক চীনে উপার্জিত আয় বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে দেশে আনলে তা বাংলাদেশে করমুক্ত (ষষ্ঠ তফসিল, অংশ ১, অনুচ্ছেদ ১৭)। আপনি চীনের নিবাসী হলে বাংলাদেশি কর চীনের করের বিপরীতে দেশভিত্তিক সীমায় রেয়াত পায় (অনুচ্ছেদ ২৩(১)(১); ব্যক্তিগত আয়কর আইন, অনুচ্ছেদ ৭); বাংলাদেশি কর কর্তৃপক্ষের কর পরিশোধের প্রমাণ রাখুন এবং পরের বছরের ১ মার্চ – ৩০ জুনের মধ্যে চীনে বিদেশি আয় ঘোষণা করুন।
- আগমন বা প্রস্থানের বছর: কোনো দেশেই বছর ভাগ হয় না. চীন নিবাস পুরো পঞ্জিকা বছরের জন্য নির্ধারণ করে, বাংলাদেশ পুরো আয়বর্ষের (১ জুলাই – ৩০ জুন) জন্য; আংশিক বছরের ভাগের নিয়ম কোনো দেশের আইনে পাওয়া যায়নি। তাই চলে যাওয়ার বা আসার বছরে দুই দেশই আপনাকে নিবাসী গণ্য করতে পারে — তখন চুক্তির অনুচ্ছেদ ৪(২) প্রযোজ্য। চীনা নাগরিক বাংলাদেশে অভিবাসনের কারণে হুকৌ বাতিল করলে তার আগে চীনে কর ঘোষণা ও নিষ্পত্তি করতে হয়।
- সামাজিক নিরাপত্তা: বাংলাদেশ–চীন চুক্তি নেই. চীনের দ্বিপাক্ষিক সামাজিক নিরাপত্তা চুক্তির ১৩টি দেশের তালিকায় বাংলাদেশ নেই। তাই প্রত্যেক দেশ নিজের আইন প্রয়োগ করে; চীনে পাঠানো কর্মীর জন্য বাংলাদেশি কভারেজের ভিত্তিতে চীনা সামাজিক বীমা থেকে অব্যাহতির কোনো চুক্তিগত সনদ নেই, এবং একই কাজের জন্য দুই দেশে অবদান লাগতে পারে। নিয়োগের আগে নিয়োগকর্তার কাছে চীনে সামাজিক বীমার বাধ্যবাধকতা জেনে নিন। সামাজিক নিরাপত্তা অবদান আয়কর চুক্তির আওতার বাইরে।
দ্বৈত নিবাসের সমাধান কীভাবে হয়
দুই দেশই আপনাকে নিবাসী মনে করলে চুক্তির অনুচ্ছেদ ৪(২) প্রযোজ্য: গণপ্রজাতন্ত্রী চীন সরকার ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে আয়ের ওপর করের ক্ষেত্রে দ্বৈত কর পরিহার ও কর ফাঁকি রোধ সংক্রান্ত চুক্তি (বেইজিং, ১২ সেপ্টেম্বর ১৯৯৬)। মানদণ্ডগুলো ক্রমানুসারে প্রয়োগ হয় — স্থায়ী আবাস, প্রধান স্বার্থের কেন্দ্র, অভ্যাসগত বাসস্থান, নাগরিকত্ব, এবং শেষে দুই দেশের কর কর্তৃপক্ষের পারস্পরিক সমঝোতা।
চীনে যেসব পরিভাষা দেখবেন
- 住所 (zhùsuǒ)
- আবাস — হুকৌ, পরিবার বা অর্থনৈতিক স্বার্থের কারণে চীনে অভ্যাসগত বসবাস; থাকলে দিন যত কমই হোক চীনের নিবাসী
- 户籍 (hùjí, হুকৌ)
- চীনের পারিবারিক বাসস্থান নিবন্ধন; বিদেশে অভিবাসনের কারণে বাতিলের আগে কর নিষ্পত্তি করতে হয়
- 居民个人
- নিবাসী ব্যক্তি — চীনের ভেতর ও বাইরের সব আয়ে কর দেন
- 非居民个人
- অনিবাসী ব্যক্তি — কেবল চীনের ভেতরের উৎসের আয়ে কর দেন
- 六年规则
- ছয় বছরের নিয়ম — আবাসহীন নিবাসীর বিদেশি উৎসের ও বিদেশে পরিশোধিত আয় টানা ছয় বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত নথিভুক্তি সাপেক্ষে করমুক্ত
- 中国税收居民身份证明
- চীনের কর-নিবাস সনদ — চুক্তির সুবিধা দাবিতে চীনের কর কর্তৃপক্ষ দেয়
প্রশ্নোত্তর
বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে কোন কর চুক্তি প্রযোজ্য?
বেইজিংয়ে ১২ সেপ্টেম্বর ১৯৯৬ তারিখে স্বাক্ষরিত চুক্তি, ১০ এপ্রিল ১৯৯৭ থেকে বলবৎ। ব্যক্তির দ্বৈত নিবাস নিষ্পত্তি করে অনুচ্ছেদ ৪(২): স্থায়ী বাসস্থান, জীবনের মূল স্বার্থের কেন্দ্র, অভ্যাসগত বাস, নাগরিকত্ব, তারপর সক্ষম কর্তৃপক্ষের পরামর্শ।
চীনে ১৮৩ দিনের কম থাকলে কি আমি চীনের নিবাসী হতে পারি?
হ্যাঁ, যদি চীনে আপনার আবাস থাকে — অর্থাৎ হুকৌ, পরিবার বা অর্থনৈতিক স্বার্থের কারণে আপনি চীনে অভ্যাসগতভাবে বসবাস করেন। আবাস না থাকলে পঞ্জিকা বছরে ১৮৩ দিনের কম থাকলে আপনি অনিবাসী।
বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে কি সামাজিক নিরাপত্তা চুক্তি আছে?
না। চীনের ১৩টি দ্বিপাক্ষিক সামাজিক নিরাপত্তা চুক্তির তালিকায় বাংলাদেশ নেই; দুই দেশ নিজ নিজ আইন প্রয়োগ করে।
সূত্র
আইন ও সরকারি ব্যাখ্যা
- 《中华人民共和国个人所得税法》(2018年8月31日第七次修正)第一条 — চীনে আবাস (住所) আছে, অথবা আবাস না থাকলেও এক করবছরে চীনে মোট ১৮৩ দিন বসবাস করেছেন — এমন ব্যক্তি নিবাসী ব্যক্তি এবং চীনের ভেতর ও বাইরে থেকে প্রাপ্ত আয়ে কর দেন; আবাস নেই ও বসবাস নেই, অথবা আবাস নেই এবং মোট বসবাস ১৮৩ দিনের কম — এমন ব্যক্তি অনিবাসী ব্যক্তি এবং কেবল চীনের ভেতর থেকে প্রাপ্ত আয়ে কর দেন। করবছর পঞ্জিকা বছর (১ জানুয়ারি – ৩১ ডিসেম্বর)।
- 《个人所得税法实施条例》(国务院令第707号)第二条 — চীনে আবাস থাকার অর্থ হুকৌ (户籍, পারিবারিক নিবন্ধন), পরিবার বা অর্থনৈতিক স্বার্থের সম্পর্কের কারণে চীনে অভ্যাসগতভাবে বসবাস।
- 《征收个人所得税若干问题的规定》(国税发〔1994〕89号)第一条 — অভ্যাসগত বসবাস নিবাসী বা অনিবাসী নির্ধারণের একটি আইনগত মানদণ্ড, প্রকৃত বসবাস বা নির্দিষ্ট কোনো সময়ের বাসস্থান নয়; পড়াশোনা, কাজ, আত্মীয়দর্শন বা ভ্রমণের কারণে বিদেশে থাকা ব্যক্তি কারণ শেষ হলে চীনে ফিরে বসবাস করতে বাধ্য হলে চীনই তাঁর অভ্যাসগত বাসস্থান।
- 财政部 税务总局公告2019年第34号 — আবাসহীন ব্যক্তির বসবাসের দিন চীনে মোট অবস্থানের দিন দিয়ে গোনা হয়: যেদিন পুরো ২৪ ঘণ্টা চীনে ছিলেন সেদিন গণ্য, ২৪ ঘণ্টার কম হলে নয়। কোনো করবছরে ১৮৩ দিন পূর্ণ হলে — আগের ছয় বছরের প্রতিটিতে ১৮৩ দিন পূর্ণ এবং কোনো বছরে একবারে ৩০ দিনের বেশি অনুপস্থিতি না থাকলে — সেই বছরের চীনের ভেতর ও বাইরের সব আয় করযোগ্য; অন্যথায় চীনের বাইরের উৎসের এবং বিদেশি প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি কর্তৃক পরিশোধিত আয় করমুক্ত। আগের ছয় বছর গোনা শুরু হয় ২০১৯ (সহ) পরবর্তী বছর থেকে।
- 《个人所得税法实施条例》第四条 — আবাসহীন ব্যক্তির চীনে মোট ১৮৩ দিন বসবাসের বছর টানা ছয় বছরের কম হলে, স্থানীয় কর কর্তৃপক্ষের কাছে নথিভুক্তি (备案) করে তাঁর চীনের বাইরের উৎসের এবং বিদেশি প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি কর্তৃক পরিশোধিত আয় করমুক্ত; কোনো বছরে একবারে ৩০ দিনের বেশি চীনের বাইরে থাকলে টানা বছরের গণনা নতুন করে শুরু হয়।
- 《个人所得税法实施条例》第三条 — অন্যভাবে বিধান না থাকলে, চাকরি, নিয়োগ, চুক্তি পালন ইত্যাদি কারণে চীনে সেবা দিয়ে প্রাপ্ত আয়, যেখানেই পরিশোধ হোক, চীনের ভেতরের উৎসের আয়।
- 《个人所得税法实施条例》第五条 — আবাসহীন ব্যক্তি এক করবছরে চীনে মোট ৯০ দিনের বেশি বসবাস না করলে, তাঁর চীনের উৎসের আয়ের যে অংশ বিদেশি নিয়োগকর্তা পরিশোধ করেন এবং যা সেই নিয়োগকর্তার চীনে অবস্থিত প্রতিষ্ঠান বা স্থাপনা বহন করে না, তা ব্যক্তিগত আয়কর থেকে অব্যাহতিপ্রাপ্ত।
- 财政部 税务总局公告2020年第3号(关于境外所得有关个人所得税政策的公告) — চীনের বাইরে সেবা দিয়ে প্রাপ্ত আয় বিদেশি আয়; বিদেশি সমন্বিত আয় ও ব্যবসায়িক আয় চীনের একই ধরনের আয়ের সঙ্গে একত্রে, অন্যান্য শ্রেণির আয় আলাদাভাবে হিসাব হয়; রেয়াতের সীমা দেশ (অঞ্চল) অনুযায়ী আলাদাভাবে হিসাব হয়, সীমার অতিরিক্ত অংশ পরের পাঁচ করবছরে নেওয়া যায়; যথাযথ কর পরিশোধের প্রমাণ না দিলে রেয়াত নেই; চুক্তির কর-ছাড় (饶让) অনুযায়ী পরিশোধিত গণ্য কর রেয়াত পায়; নিবাসী ব্যক্তি পরের বছরের ১ মার্চ – ৩০ জুনের মধ্যে বিদেশি আয় ঘোষণা করেন। বিদেশি করবছর পঞ্জিকা বছরের সঙ্গে না মিললে বিদেশি করবছরের শেষ দিন যে পঞ্জিকা বছরে পড়ে, সেটিই সংশ্লিষ্ট করবছর।
- আয়কর আইন, ২০২৩ (২০২৩ সনের ১২ নং আইন), ধারা ২(৪৫)(ক) — এনবিআর প্রকাশিত প্রামাণ্য ইংরেজি পাঠ (এস.আর.ও. নং ৪০৪-আইন/২০২৫) — কোনো আয়বর্ষে সেই স্বাভাবিক ব্যক্তি নিবাসী, যিনি (১) সেই বছরে একটানা বা কয়েক দফায় মোট অন্তত ১৮৩ দিন বাংলাদেশে ছিলেন; অথবা (২) সেই বছরে মোট ৯০ দিন বা তার বেশি বাংলাদেশে ছিলেন এবং তার আগের ৪ বছরে মোট ৩৬৫ দিন বা তার বেশি বাংলাদেশে ছিলেন। সংজ্ঞায় নাগরিকত্ব বা বাসস্থানের কোনো শর্ত নেই।
- অনুচ্ছেদ ১৫(২), বাংলাদেশ–চীন চুক্তি (বেইজিং, ১২.৯.১৯৯৬) — এক রাষ্ট্রের নিবাসীর অন্য রাষ্ট্রে করা চাকরির পারিশ্রমিক কেবল নিবাসের রাষ্ট্রে করযোগ্য, যদি (১) প্রাপক সংশ্লিষ্ট অর্থবছরে (有关会计年度) অন্য রাষ্ট্রে একটানা বা মোট ১৮৩ দিনের বেশি না থাকেন, (২) পারিশ্রমিক অন্য রাষ্ট্রের নিবাসী নন এমন নিয়োগকর্তা বা তাঁর পক্ষে পরিশোধ করা হয়, এবং (৩) তা অন্য রাষ্ট্রে নিয়োগকর্তার স্থায়ী স্থাপনা বা নির্দিষ্ট ভিত্তি বহন করে না।
- অনুচ্ছেদ ৪(২), বাংলাদেশ–চীন চুক্তি (বেইজিং, ১২.৯.১৯৯৬) — উভয় রাষ্ট্রে নিবাসী ব্যক্তি: (১) যে রাষ্ট্রে তাঁর স্থায়ী বাসস্থান আছে; দুই রাষ্ট্রেই থাকলে — যে রাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যক্তিগত ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বেশি ঘনিষ্ঠ (জীবনের মূল স্বার্থের কেন্দ্র); (২) জীবনের মূল স্বার্থের কেন্দ্রের রাষ্ট্র নির্ধারণ করা না গেলে, অথবা কোনো রাষ্ট্রেই স্থায়ী বাসস্থান না থাকলে — অভ্যাসগত বাসের রাষ্ট্র; (৩) দুই রাষ্ট্রেই বা কোনোটিতেই অভ্যাসগত বাস না থাকলে — নাগরিকত্বের রাষ্ট্র; (৪) দুই রাষ্ট্রের নাগরিক বা কোনোটির নাগরিক না হলে — সক্ষম কর্তৃপক্ষ পরামর্শের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করে।
- 国家税务总局公告2025年第4号(关于《中国税收居民身份证明》有关事项的公告),2025年4月1日起施行 — ব্যক্তি যে পঞ্জিকা বছরে চীনের কর-নিবাসী, সেই বছরের জন্য স্থানীয় কর কর্তৃপক্ষের কাছে «চীনের কর-নিবাস সনদ» (中国税收居民身份证明) চাইতে পারেন; আবেদনপত্র, ব্যবহারের উদ্দেশ্য সংক্রান্ত কাগজ এবং আবাস বা বসবাসের দিনের প্রমাণ (যেমন প্রবেশ-প্রস্থানের রেকর্ড) জমা দিতে হয়; কর্তৃপক্ষ নিজে নির্ধারণ করতে পারলে গ্রহণের ৭ কর্মদিবসের মধ্যে নিষ্পত্তি। ২০১৬ সালের ৪০ নং ও ২০১৯ সালের ১৭ নং ঘোষণা একই সঙ্গে বাতিল।
- অনুচ্ছেদ ২৩, বাংলাদেশ–চীন চুক্তি (বেইজিং, ১২.৯.১৯৯৬) — চীন: চীনের নিবাসী বাংলাদেশ থেকে যে আয় পান, তার ওপর চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশে পরিশোধিত কর চীনের করের বিপরীতে রেয়াত পায় (২৩(১)(১))। বাংলাদেশ: বাংলাদেশের নিবাসীর আয় চুক্তি অনুযায়ী চীনে করযোগ্য হলে, বাংলাদেশ চীনে পরিশোধিত আয়করের সমপরিমাণ তাঁর আয়কর থেকে বাদ দেয় (২৩(২)(১))। চুক্তির পাঠে কর-ছাড় (饶让, tax sparing) বিধান নেই।
- PwC Worldwide Tax Summaries — Bangladesh, Corporate: Tax credits and incentives (পর্যালোচনা ৩১.০৭.২০২৬) — বিদেশি কর রেয়াত কেবল নিবাসীর জন্য এবং দ্বিগুণ করারোপিত আয়ের ওপর গড় হারে নির্ধারিত বাংলাদেশি কর পর্যন্ত সীমিত; উপকর কমিশনার এমন আয়ে বাংলাদেশ ও বিদেশি দেশের গড় করহারের মধ্যে যেটি কম সেটি প্রয়োগ করতে পারেন; দাবি সংশ্লিষ্ট বছরের পর দুই বছরের মধ্যে করতে হয়; চুক্তির হার প্রয়োগে এনবিআর-এর সনদ লাগে।
- আয়কর আইন, ২০২৩, ষষ্ঠ তফসিল, অংশ ১, অনুচ্ছেদ ১৭ — প্রথম আলো, ২৭.০৯.২০২৩ — বাংলাদেশি কোনো স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতার বিদেশে উপার্জিত আয়, যা তিনি বৈদেশিক রেমিট্যান্স সম্পর্কিত বিদ্যমান আইন অনুসারে বাংলাদেশে এনেছেন, মোট আয়ের অন্তর্ভুক্ত হয় না; রিটার্নে তা করমুক্ত আয় হিসেবে দেখাতে হয়।
- 《个人所得税法》第七条 — নিবাসী ব্যক্তি চীনের বাইরে থেকে প্রাপ্ত আয়ে বিদেশে পরিশোধিত ব্যক্তিগত আয়কর তাঁর করদায় থেকে রেয়াত নিতে পারেন, তবে রেয়াত সেই বিদেশি আয়ে এই আইন অনুযায়ী হিসাব করা করের বেশি হবে না।
- 国家税务总局公告2018年第62号(关于个人所得税自行纳税申报有关问题的公告) — বিদেশি আয় চীনে চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠানের এলাকার কর কর্তৃপক্ষের কাছে ঘোষণা করতে হয়; চাকরিদাতা না থাকলে হুকৌ-এর এলাকা বা নিয়মিত বাসস্থানের কর কর্তৃপক্ষের কাছে। বিদেশে অভিবাসনের কারণে হুকৌ বাতিলের আবেদনের আগে হুকৌ-এর এলাকার কর কর্তৃপক্ষের কাছে কর ঘোষণা ও কর নিষ্পত্তি করতে হয় এবং বাতিলের বছরের সমন্বিত ও ব্যবসায়িক আয়ের বার্ষিক সমন্বয় করতে হয়।
- 中国新闻网报道(光明网转载,2025-10-29) — ২০০১ সাল থেকে চীন ১৩টি দেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সামাজিক নিরাপত্তা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে: জার্মানি, দক্ষিণ কোরিয়া, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, কানাডা, সুইজারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, ফ্রান্স, স্পেন, লুক্সেমবার্গ, জাপান, সার্বিয়া, কিরগিজস্তান — বাংলাদেশ নেই।
- 《个人所得税法》第三条及税率表 — সমন্বিত আয়ে ৩%–৪৫% ক্রমবর্ধমান হার (বার্ষিক করযোগ্য আয় ৩৬,০০০ ইউয়ান পর্যন্ত ৩%; ৩৬,০০০–১,৪৪,০০০ ইউয়ান ১০%; ১,৪৪,০০০–৩,০০,০০০ ইউয়ান ২০%; ৩,০০,০০০–৪,২০,০০০ ইউয়ান ২৫%; ৪,২০,০০০–৬,৬০,০০০ ইউয়ান ৩০%; ৬,৬০,০০০–৯,৬০,০০০ ইউয়ান ৩৫%; ৯,৬০,০০০ ইউয়ানের বেশি ৪৫%); ব্যবসায়িক আয়ে ৫%–৩৫%; সুদ, লভ্যাংশ, সম্পত্তির ভাড়া, সম্পত্তি হস্তান্তর ও আকস্মিক আয়ে ২০% সমহার।
- 《个人所得税法》第六条 — নিবাসী ব্যক্তির সমন্বিত আয়ে প্রতি করবছরের আয় থেকে ৬০,০০০ ইউয়ান খরচ এবং বিশেষ কর্তন, বিশেষ অতিরিক্ত কর্তন ও আইনসম্মত অন্যান্য কর্তন বাদ দিয়ে করযোগ্য আয়; অনিবাসী ব্যক্তির বেতনে মাসিক আয় থেকে ৫,০০০ ইউয়ান বাদ দিয়ে করযোগ্য আয়, পেশাগত সেবা, লেখক-সম্মানী ও রয়্যালটিতে প্রতিবারের আয়ই করযোগ্য আয়।
- 《个人所得税法实施条例》第二十一条、第二十二条 — রেয়াতের সীমা উৎসের দেশ (অঞ্চল) অনুযায়ী আলাদাভাবে হিসাব হয়; কোনো দেশে প্রকৃত পরিশোধিত কর সীমার কম হলে পার্থক্য চীনে পরিশোধ করতে হয়; সীমার অতিরিক্ত অংশ পরের বছরগুলোতে সেই দেশের আয়ের অবশিষ্ট সীমা থেকে নেওয়া যায়, সর্বোচ্চ পাঁচ বছর। রেয়াতের আবেদনে বিদেশি কর কর্তৃপক্ষের দেওয়া সংশ্লিষ্ট বছরের কর পরিশোধের প্রমাণ লাগে।
- 《个人所得税法》第十条、第十一条、第十三条 — বিদেশি আয় থাকলে, বিদেশে অভিবাসনের কারণে চীনা হুকৌ বাতিল করলে, অনিবাসী ব্যক্তি দুই বা ততোধিক উৎস থেকে বেতন পেলে ইত্যাদি ক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী কর ঘোষণা করতে হয়। সমন্বিত আয়ে কর কর্তনকারী মাসিক বা প্রতিবার অগ্রিম কর কাটে; বার্ষিক সমন্বয় পরের বছরের ১ মার্চ – ৩০ জুনের মধ্যে; বিদেশি আয়ের ঘোষণা পরের বছরের ১ মার্চ – ৩০ জুনের মধ্যে; অনিবাসী ব্যক্তির বেতন ইত্যাদিতে কর্তনকারী কর কাটে, বার্ষিক সমন্বয় নেই; বিদেশে অভিবাসনের কারণে হুকৌ বাতিলের আগে কর নিষ্পত্তি করতে হয়।
- 国家税务总局关于我国政府和孟加拉人民共和国政府避免双重征税协定生效及执行的通知(国税发〔2001〕111号) — চুক্তি ১০ এপ্রিল ১৯৯৭ থেকে বলবৎ; চীনে ১ জানুয়ারি ১৯৯৮ বা তার পরে শুরু হওয়া করবছর থেকে, বাংলাদেশে ১ জুলাই ১৯৯৮ বা তার পরে শুরু হওয়া করবছর থেকে প্রযোজ্য। অবস্থা: «全文有效» (পূর্ণ পাঠ বলবৎ)।
- OECD — Signatories and Parties to the MLI (অবস্থা ১১.১২.২০২৫) — বাংলাদেশ বহুপাক্ষিক কনভেনশনের (MLI) স্বাক্ষরকারী বা পক্ষ নয়; তাই MLI বাংলাদেশের কোনো দ্বিপাক্ষিক কর চুক্তি পরিবর্তন করে না।
- অনুচ্ছেদ ৪(২)(২), বাংলাদেশ–চীন চুক্তি (বেইজিং, ১২.৯.১৯৯৬) — কোনো রাষ্ট্রেই স্থায়ী বাসস্থান না থাকলে চুক্তি সরাসরি অভ্যাসগত বাসে যায় (জীবনের মূল স্বার্থের কেন্দ্রের ধাপ কেবল দুই রাষ্ট্রে বাসস্থান থাকলে প্রযোজ্য)।
- অনুচ্ছেদ ৪(২)(১), বাংলাদেশ–চীন চুক্তি (বেইজিং, ১২.৯.১৯৯৬) — জীবনের মূল স্বার্থের কেন্দ্র: যে রাষ্ট্রের সঙ্গে আপনার ব্যক্তিগত ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বেশি ঘনিষ্ঠ।
- অনুচ্ছেদ ৪(২)(৩)–(৪), বাংলাদেশ–চীন চুক্তি (বেইজিং, ১২.৯.১৯৯৬) — দুই রাষ্ট্রেই বা কোনোটিতেই অভ্যাসগত বাস না থাকলে নাগরিকত্বের রাষ্ট্রের নিবাসী; দুই রাষ্ট্রের নাগরিক বা কোনোটির নাগরিক না হলে সক্ষম কর্তৃপক্ষ পরামর্শের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করে (অনুচ্ছেদ ২৫)।
হালনাগাদ 04.11.2026. ফলাফল কেবল তথ্যের জন্য; এটি কর বা আইনি পরামর্শ নয়। কর কর্তৃপক্ষ ও আদালত নিয়মগুলো ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করতে পারে, যার মধ্যে এখানে বিবেচিত নয় এমন পরিস্থিতিও আছে, এবং আইন বদলায়। সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে যোগ্য পরামর্শকের সঙ্গে কথা বলুন।
অন্যান্য দেশ
- অস্ট্রিয়ায় বাংলাদেশি করদাতা
- ইউক্রেনে বাংলাদেশি করদাতা
- ইতালিতে বাংলাদেশি করদাতা
- কানাডায় বাংলাদেশি করদাতা
- চেক প্রজাতন্ত্রে বাংলাদেশি করদাতা
- জাপানে বাংলাদেশি করদাতা
- জার্মানিতে বাংলাদেশি করদাতা
- তুরস্কে বাংলাদেশি করদাতা
- নেদারল্যান্ডসে বাংলাদেশি করদাতা
- পাকিস্তানে বাংলাদেশি করদাতা
- পোল্যান্ডে বাংলাদেশি করদাতা
- ফ্রান্সে বাংলাদেশি করদাতা
- ভারতে বাংলাদেশি করদাতা
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি করদাতা
- যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশি করদাতা
- রোমানিয়ায় বাংলাদেশি করদাতা
- সুইজারল্যান্ডে বাংলাদেশি করদাতা
- স্পেনে বাংলাদেশি করদাতা
- হাঙ্গেরিতে বাংলাদেশি করদাতা